প্রতি পিছ=১৮০ টাকা
৫ পিছ =৫৫০ টাকা।
এই চিত্রপট বা বিগ্রহগুলো মূলত হিন্দু বৈষ্ণব দর্শনের মূল ভিত্তি, প্রেম ভক্তি এবং দিব্য সুরক্ষার প্রতীক। প্রতিটি রূপের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য নিচে দেওয়া হলো:
- রাধামাধব: রাধা ও কৃষ্ণ হলেন সর্বোচ্চ প্রেমের প্রকাশ। রাধামাধবের চিত্রপট বা দর্শন জীবের পরমাত্মার সাথে ঈশ্বরের মিলনের আকুতি এবং দিব্য প্রেম বা ভক্তির সর্বোচ্চ স্তরকে নির্দেশ করে। [
- জগন্নাথ: ভগবান কৃষ্ণ, বলরাম ও সুভদ্রার এই রূপটি অহেতুক করুণা ও সর্বজনীন মুক্তির প্রতীক। জগন্নাথের চিত্রপট ঘরে রাখলে অবারিত কৃপা লাভ হয় এবং জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে সকলের প্রতি প্রেমের ভাব জাগ্রত হয়।
- পঞ্চতত্ত্ব: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এবং তাঁর চারজন প্রধান পার্ষদ (নিত্যানন্দ, অদ্বৈত আচার্য, গদাধর এবং শ্রীবাস)। এই চিত্রপট ভক্তি আন্দোলনের মূল ভিত্তি—যুগল প্রেম এবং হরিনাম সংকীর্তনের মাধ্যমে জীবের মুক্তির নির্দেশক।
- গৌরনিতাই: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু (গৌর) এবং নিত্যানন্দ প্রভু। এঁরা হলেন সবচেয়ে দয়ালু অবতার。 এই চিত্রপট ঘরে রাখলে ঈশ্বরের প্রতি প্রেম, ক্ষমা এবং ভক্তিভাব দ্রুত জাগ্রত হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
- নৃসিংহদেব: ভগবান বিষ্ণুর চতুর্থ অবতার (অর্ধনরসিংহ রূপ)। তিনি ভক্ত প্রহ্লাদের রক্ষক এবং অসুর বিনাশকারী। এই চিত্রপটটি ভয়ের বিনাশ, সমস্ত প্রকার নেতিবাচক শক্তি থেকে সুরক্ষা এবং আধ্যাত্মিক পথের বাধা দূর করার জন্য অত্যন্ত মহিমান্বিত।